প্রজেক্টর পেইন্টিং টেবিল—যেখানে খেলার ছলেই বিকশিত হবে আপনার শিশুর চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীল মন।
সারাদিন স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা শিশুর চোখের ক্ষতি করার পাশাপাশি তার কল্পনাশক্তিও কমিয়ে দিচ্ছে। আপনার সোনামণিকে এই ডিজিটাল আসক্তি থেকে ফিরিয়ে আনার এটাই সেরা সময়।
গবেষণায় দেখা গেছে, শিশু যখন নিয়মিত ছবি আঁকে, তখন তার মস্তিষ্ক আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করে।
নিচে দেখুন, ড্রয়িং কীভাবে শিশুর চিন্তাশক্তি, স্মৃতিশক্তি ও সৃজনশীলতা বাড়ায়।
ছবি আঁকার সময় শিশু প্রতিটি রেখা, আকার ও রঙ বেছে নিতে হয়। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভ্যাস তার সূক্ষ্ম চিন্তাভাবনা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়ায়।
সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা বৃদ্ধি
গবেষণায় প্রমাণিত, ছবি এঁকে শেখা তথ্য মস্তিষ্কে বেশি গভীরভাবে সংরক্ষিত হয়, যা সাধারণ লেখালেখির তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর।
বেশি কার্যকর স্মৃতিশক্তি
ড্রয়িং করার সময় মস্তিষ্কের ডান ও বাম উভয় অংশই একসাথে কাজ করে। এর ফলে শিশুর নিউরোপ্লাস্টিসিটি বাড়ে এবং শেখার ক্ষমতা উন্নত হয়।
মস্তিষ্ক সক্রিয়তা
ছবি আঁকার মাধ্যমে শিশু নিজের কল্পনা ও ভাবনাকে প্রকাশ করতে শেখে। এর ফলে নতুন চিন্তা ও সৃজনশীল মানসিকতা ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে।
সৃজনশীলতা বৃদ্ধি
LED লাইট ও আনন্দদায়ক সিং সং মিউজিক শিশুর আঁকাআঁকিকে করে আরও মজাদার, ফলে শিশু স্বাভাবিকভাবেই দীর্ঘ সময় মনোযোগ ধরে রাখতে পারে।
স্মার্ট প্রজেক্টর স্কেচার ডেস্ক, যা শেখা ও খেলাকে একসাথে উপভোগ্য করে তোলে, একই সাথে শিক্ষা ও বিনোদন।
বিভিন্ন আকৃতির ছবি ট্রেস করে আঁকার মাধ্যমে শিশুর কল্পনাশক্তি, হাতের নিয়ন্ত্রণ ও সৃজনশীলতা ধাপে ধাপে বিকশিত হয়।
নিরাপদ ও শিশুদের উপযোগী রঙিন পেন, যা সহজে ধরতে ও ব্যবহার করতে পারে,ঝুঁকিমুক্ত ও আরামদায়ক।
আজই অর্ডার করুন এবং বিশেষ ছাড়ে পণ্যটি নিন!